রাখাইনে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘজাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার দুই জাহাজ আটক করেছে রাশিয়ার সীমান্ত বাহিনী। মস্কো বলছে, দুটি ছদ্মবেশী জাহাজ তাদের সমুদ্র অঞ্চলে প্রশেব করেছে। জাহাজ দুটির মধ্যে একটি থেকে দেশটির টহলরত জাহাজে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। মঙ্গলবার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসে (এএসবি) বরাত দিয়ে তাস নিউজ এ খবর জানায়। উত্তর কোরিয়ার একটি স্কুনার (৪৫ জনেরও বেশি লোক) একটি সীমান্ত টহল জাহাজের পরিদর্শন দলের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে তিনজন সেনাবাহিনীর সদস্য আহত হয়েছেন।জাবির ঘটনায় শিক্ষকরা লজ্জিত : আরেফিন সিদ্দিকদলে শুদ্ধি অভিযান চলছে : কাদেরছাত্রদলের কাউন্সিলরদের সই সংগ্রহ, সিলেকশন শঙ্কা প্রার্থীদের
No icon

পেঁয়াজের দামে হঠাৎ বেড়ে গেল

হঠাৎ করেই যেন পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়ে গেল। রসে নয়, দামে। পবিত্র ঈদুল আজহার আগে যে পেঁয়াজ ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, সেটা এখন প্রতি কেজি ৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। দেশি পেঁয়াজের বিকল্প ভারতীয় পেঁয়াজের দামও চড়া। আদা ও রসুনের দাম অনেক আগে থেকে নাগালের বাইরে। দেশি ও আমদানি দুই ধরনের রসুনের দামই প্রায় সমান। ঈদের আগেও কিছুটা সস্তা ছিল দেশি রসুন, সেটাও এখন চীনা রসুন ছুঁইছুঁই। চীনা আদা ১৬০-১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলেও ইন্দোনেশিয়ার আদা কিনতে লাগছে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা। দেশি আদা বাজারে নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুরের আনসার ক্যাম্প এলাকা, পশ্চিম শেওড়াপাড়া ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজারে বিক্রেতারা এখন দেশি পেঁয়াজ দুটি ভাগে ভাগ করে বিক্রি করছেন। বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬০ টাকা দরে। বাকি পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। অবশ্য কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে প্রতি পাঁচ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫০ টাকা চান বিক্রেতারা, এতে কেজি পড়ে ৫০ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে এক মাসে দেশি পেঁয়াজের দাম ২৪ শতাংশ ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বাড়ল কেন, জানতে চাইলে পুরান ঢাকার শ্যামবাজারভিত্তিক আমদানিকারক আবদুল মাজেদ বলেন, ভারতে দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাই দেশেও বেড়েছে। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহও কম। মহারাষ্ট্রের নাসিকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাইকারি পেঁয়াজ কেনাবেচার কেন্দ্র লাসালগাঁওয়ে গত মঙ্গলবার পেঁয়াজ গড়ে ২২ রুপি কেজি দরে বিক্রি হয়, যা এক মাস আগে ১২ রুপি ছিল।

শ্যামবাজারে ঈদের আগে দেশি রসুনের কেজি ছিল পাইকারি ১০৫-১১০ টাকা। এখন সেটা ১৩০ টাকায় উঠেছে। অবশ্য চীনা রসুন কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৩৫-১৪০ টাকায় নেমেছে। খুচরা বাজারে ঈদের আগে চীনা রসুন মানভেদে ১৬০-১৮০ টাকা ছিল। আর দেশি রসুন ছিল ১৪০ টাকার আশপাশে। এখন দুটিই ১৮০ টাকা কেজি।

চিনির দামও বাড়তি। কেজিপ্রতি তিন থেকে চার টাকা বেড়ে চিনির দাম উঠেছে ৫৮-৬০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ঈদের আগে চাহিদা না থাকায় মুরগি কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় নেমেছিল। এখন আবার বেড়ে ১৩০ টাকায় উঠেছে। চাল, ডাল, আটা, সবজি ইত্যাদির দামে তেমন কোনো হেরফের নেই।