সিঁড়িতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন মোদি অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিচারক নিয়োগ দিতে হবেবঙ্গবন্ধু হত্যা ও ষড়যন্ত্রে জিয়া জড়িত: প্রধানমন্ত্রীকেউ যদি যেতে না চায়, তাহলে পাকিস্তান যাবে না : পাপনসত্য বলার জন্য ক্ষমা চাইব না: রাহুল গান্ধী
No icon

পুঁজিবাজারে আসছে প্রণোদনার ৮৫ কোটি টাকা

পুঁজিবাজারের চলমান মন্দা কাটানোর উদ্যোগ হিসেবে প্রণোদনা স্কিমের ৮৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ছাড়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঋণ মঞ্জুর কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিএসইসি প্রণোদনা স্কিমের ৮৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা অর্থ ছাড়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে, যা শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হবে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো অফার লেটার পেয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাড় হলে তারা ওই টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবেন।

এর আগে ২১ মে প্রণোদনা স্কিমের প্রায় ৭৬১ কোটি টাকা পায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

এ বিষয়ে সাইফুর রহমান বলেন, ‘এর আগে আমরা আইসিবিকে ৭৬০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা দিয়েছি। বাকি টাকা এখন ছাড়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।’

তারল্য সংকট কাটাতে ২০১০ সালে ধসের ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর সহায়তায় ৯০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের ৮৫৬ কোটি টাকা চায় আইসিবি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ মে অর্থ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, চলমান শেয়ারবাজারের লেনদেনে নিম্নগতির ধারা প্রতিরোধে সুদ ও আসল হিসেবে আদায় করা ৮৫৬ কোটি টাকা আবর্তনশীল ভিত্তিতে পুনঃব্যবহার ও তিনটি বিষয়ের নির্দেশক্রমে অর্থ বিভাগের সম্মতি দেয়া হলো।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এ তহবিলের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষ হবে এবং শেষ বিতরণ করা ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ২০১২ সালের ৫ মার্চ প্রণোদনা স্কিমের আওতায় ৯০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা হয়, যা তিন কিস্তিতে ৩০০ কোটি টাকা করে আইসিবির মাধ্যমে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও আইসিবির সমন্বয়ে গঠিত ‘তদারকি কমিটি’ তত্ত্বাবধানে এ ফান্ড বিতরণ করা হয়। যার মেয়াদ ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।