‘অত্যাচারের মুখে বিএনপি আরও শক্তিশালী হচ্ছে’আর যেন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের আবির্ভাব না ঘটে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসব রেকর্ড ভেঙেছে যমুনা-তিস্তার পানিমশা নিয়ে এখনও আতঙ্কে অর্থমন্ত্রী!জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে আগুনে নিহত ৩০
No icon

বাণিজ্যযুদ্ধের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ

চলমান চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে অনেক মার্কিন ক্রেতা বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকেছেন। সে জন্য পোশাক কারখানায় ক্রয়াদেশ বেড়েছে। রপ্তানিও বেড়েছে। ফলে তিন বছরের ব্যবধানে বড় এই বাজারে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) যুক্তরাষ্ট্রে ২৫৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত বছরের এই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২২১ কোটি ডলারের পোশাক। তার মানে, চলতি বছরের পাঁচ মাসে রপ্তানি বেড়েছে সাড়ে ১৫ শতাংশ। বাজারটিতে শীর্ষ ছয় পোশাক রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।
দেশের উদ্যোক্তারা বলছেন, বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে। অনেক নতুন ক্রেতা খোঁজখবর নিচ্ছেন। তবে সুযোগটা ব্যাপক হারে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। কারণ, ক্রেতারা খুবই কম দামে পোশাক কিনতে চান। তা ছাড়া, অধিক মূল্য সংযোজনের পোশাক তৈরির সক্ষমতাসম্পন্ন কারখানার সংখ্যা খুবই কম। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) সম্প্রতি বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক আমদানির হালনাগাদ চিত্র তুলে ধরেছে। তাদের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৩ হাজার ৩১১ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। রানা প্লাজা ধসের পর বাজারটিতে পোশাক রপ্তানি কমে যায়। ২০১৭ সালে ৫০৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হলেও তা ছিল ২০১৬ সালের চেয়ে সাড়ে ৪ শতাংশ কম। দীর্ঘ ১৫ মাস পর গত বছরের জানুয়ারিতে এই বাজারে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত গত বছর ৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ৫৪০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। বাণিজ্যযুদ্ধই এই বাজারে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে।