‘পাকিস্তানকে পানি দেয়া বন্ধ করে দেবে ভারত’আবরার হত্যায় দেশ-বিদেশে গণস্বাক্ষর অভিযান চালাবে ঐক্যফ্রন্টকুয়েটে প্রতি আসনে লড়বেন ১১ জন, পরীক্ষা ১৮ অক্টোবরপাঁচ কেজি চালে ১ কেজি পেঁয়াজ!মানুষের উচিত হবে সরকারকে ঘাড় ধরে বের করে দেয়া: ড. কামাল
No icon

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে বেশ কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছিল পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে তার মধ্য থেকে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়া শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর দ্বৈত কর পরিহার করা হবে বলেও বাজেটে তুলে ধরা হয়। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়। এতে পুঁজিবাজারের জন্য এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা ব্যবস্থা থাকবে বলে প্রস্তাবিত বাজেটে উঠে আসে।

এরআগে এনবিআরের সঙ্গে বাজেট পূর্ববর্তী আলোচনায় ডিএসইর নেতৃবৃন্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেকে (এনবিআর) প্রস্তাবিত বাজেট উপলক্ষ্যে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

তার মধ্যে, শতভাগ কর মওকুফ সুবিধা দেয়ার সুপারিশ, লভ্যাংশ আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা, স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের কাছ থেকে উৎসে আয়কর হার ০.০৫ শতাংশ থেকে পূর্বের ০.০১৫ শতাংশ নির্ধারণ, আইপিওতে ২০ শতাংশ শেয়ার ইস্যু করা কোম্পানিকে এক বছরের পরিবর্তে তিন বছর ১০ শতাংশ হারে কর রেয়াত সুবিধা দেয়ার দাবি জানিয়েছিল ডিএসই।

এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করের হার পাঁচ শতাংশ কমানোর দাবি জানিয়েছিল সিএসই।

নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে তিন বছর করমুক্ত রাখার দাবিও করেছিল সিএসই। করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা এক লাখ টাকা করার সুপারিশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি উৎসাহিত করতে প্রথম তিন বছর শূন্য এবং পরের বছরগুলো ১০ শতাংশ হারে কর হার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছিল সিএসই।