সিরিয়ায় অভিযানে নামছে তুর্কি সেনারাআওয়ামী লীগই দেশের সব অর্জন নষ্ট করেছে: ফখরুল'অপপ্রচার' ঠেকাতে ইন্টারনেটের গতি কমানোর প্রস্তাব পুলিশেরভোটের মাঠে সেনাবাহিনী নামবে ২৪ ডিসেম্বররব ও মান্নাকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ধাওয়া
No icon

ঢাকার বাজারে মাছ ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে

রাজধানীর বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছ ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। স্থিতিশীল আছে সবজি, চিনি, ভোজ্যতেল, আটা ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম। চালের দাম কিছুটা কমেছে। সব মিলিয়ে বাজারে মোটা দাগে পণ্যের দামে তেমন কোনো হেরফের নেই। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে এখন মাছ ও ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কিছুটা কম। এটাই দাম বাড়ার কারণ। বাজারে এখন বর্ষায় নদীতে ধরা পড়া বেলে মাছ, বাছা, চিংড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ছোট মাছ আসতে শুরু করেছে। বেলে মাছের কেজিপ্রতি দর আকারভেদে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। নদীর চিংড়ি যত ছোটই হোক, কেজিপ্রতি দর ৬০০ টাকার বেশি। মুক্ত জলাশয়ের অন্যান্য যেকোনো মাছেরই দরই কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি চাইছেন বিক্রেতারা। চাষের মাছের মধ্যে রুই-কাতলা আকারভেদে কেজিপ্রতি ২৮০ থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, কই ১৬০-১৮০ টাকা, পাঙাশ ১৩০-১৫০ টাকা, পাবদা ৫০০-৫৫০ টাকা, মাঝারি শিং ও মাগুর ৫৫০-৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব মাছের দর কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা বাড়তি বলে দাবি বিক্রেতাদের।

বেশ কিছুদিন চাষের চিংড়ির দর বেশ কম ছিল। এখন তা কেজিতে ১০০ টাকার মতো বেড়েছে। প্রতি কেজি ছোট ও মাঝারি চিংড়ি বিক্রেতারা ৫৫০-৭০০ টাকা চাইছেন। ইলিশের সরবরাহ কম। ছোট ইলিশ প্রতি কেজি ৬৫০-৭৫০ টাকা, মাঝারি ইলিশ প্রতিটি ৭০০-৮০০ টাকা ও এক কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিটি ১ হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বৈশাখ মাস থেকে ভরা বর্ষার আগ পর্যন্ত নদী-নালা ও খাল-বিলের মাছের সরবরাহ কম থাকে। এতে দর বেড়ে যায়। এরপর ইলিশ এলে মাছের বাজারে দর কিছুটা কমে। কারওয়ান বাজারের মাছ ব্যবসায়ী শুক্কুর আলী বলেন, আর কিছুদিন পরেই নদীতে ইলিশ বাড়বে। তখন ইলিশ বেশি কিনবে। এতে অন্যান্য মাছের দর কমবে।

বাজারে কয়েক মাস ব্রয়লার মুরগির দর কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে ছিল। এখন সেটা বেড়ে ১৪৫-১৫০ টাকা হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষার শুরুর দিকে রোগের প্রকোপ বেড়ে যায় বলে মুরগি পালন কমে যায়। এতে সরবরাহ কমে। এ বছরও একই ঘটনা ঘটেছে।

বাজারে সবজির মধ্যে বেগুনের দর বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কাজীপাড়া বাজারে প্রতি কেজি লম্বা ও গোল বেগুন ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। এ ছাড়া বেড়েছে কাঁচা পেঁপের দর। প্রতি কেজি ৪০ টাকা চাইছেন বিক্রেতারা, যা এক সপ্তাহ আগের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা বেশি। অন্যান্য বেশির ভাগ সবজি কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজিপ্রতি দর এখন ৩৫-৪০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ৩০-৩৫ টাকা। মুদিদোকানে ভালো মানের মোটা চাল এখন ৪০-৪২ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। সরু মিনিকেট চাল ৬২-৬৩ টাকা, নাজিরশাইল ৬৬-৭০ টাকা ও মাঝারি চাল ৫২-৫৪ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।