রাখাইনে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘজাপান সাগরে উত্তর কোরিয়ার দুই জাহাজ আটক করেছে রাশিয়ার সীমান্ত বাহিনী। মস্কো বলছে, দুটি ছদ্মবেশী জাহাজ তাদের সমুদ্র অঞ্চলে প্রশেব করেছে। জাহাজ দুটির মধ্যে একটি থেকে দেশটির টহলরত জাহাজে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। মঙ্গলবার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসে (এএসবি) বরাত দিয়ে তাস নিউজ এ খবর জানায়। উত্তর কোরিয়ার একটি স্কুনার (৪৫ জনেরও বেশি লোক) একটি সীমান্ত টহল জাহাজের পরিদর্শন দলের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে তিনজন সেনাবাহিনীর সদস্য আহত হয়েছেন।জাবির ঘটনায় শিক্ষকরা লজ্জিত : আরেফিন সিদ্দিকদলে শুদ্ধি অভিযান চলছে : কাদেরছাত্রদলের কাউন্সিলরদের সই সংগ্রহ, সিলেকশন শঙ্কা প্রার্থীদের
No icon

প্রতারণার ফাঁদে পড়ে কিশোরীর আত্মহত্যা

মায়িশা ফাহমিদা সেমন্তির (১৪) আত্মহত্যার ঘটনায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে ঢাকা সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার সেমন্তির বাবা হাসানুল মাশরেক রুমন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫(১)ক/২৯(১)/৩১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। আসামি দুজন হলেন বগুড়া জেলার সদর থানার জেল বাগান লেনের আবির আহমেদ (২০) ও একই এলাকার শাহারিয়ার অন্তু। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেমন্তির নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে ওই ছাত্রী আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছে। সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বগুড়া অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী তার অভিযোগে জানান, গত ১৮ জুন রাতে আসামি আবির আহমেদ মোবাইল ফোনে হাসানুল মাশরেক রুমনকে জানায়, সেমন্তি আত্মহত্যা করতে পারেন। রুমন তাৎক্ষণিক মেয়েকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে সেমন্তি জানায়, আবিরের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার জোরাজুরিতে সেমন্তি মোবাইলে কিছু নগ্ন ছবি তোলে। যা সেমন্তির মোবাইল থেকে আবির তার মোবাইলে নিয়ে নেয়। এর মধ্যে একটি ছবি শাহরিয়ার অন্তুর মোবাইল ফোনেও পাঠায় আবির। পরে দুজন মিলে ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে সেমন্তিকে এবং পাশবিক লালসা চরিতার্থ করে। রুমন ঘটনাটি শুনে মেয়েকে সান্ত্বনা দিলেও ওইদিন রাতে সেমন্তি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

সে রাতে আবির ও অন্তু ৯১ বার মোবাইল ফোনে কথা বলে সেমন্তির সঙ্গে। যা প্রমাণ করে আসামিরা সেমন্তিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে আত্মহত্যায় বাধ্য করে। এছাড়া সেমন্তি মারা যাওয়ার পর আসামি আবির ২১ জুন রাতে মামলার দুই নম্বর সাক্ষী জান্নাতুল ফেরদৌসের কাছে মেসেঞ্জারে সেমন্তির নগ্ন ছবি পাঠিয়ে তার পরিবারকে মামলা না করার হুমকি দেয়।

মামলার বাদি রুমন জানান, প্রায় ১৫ মাস আগে তার ছোট মেয়ে অসুস্থ হয়। তখন প্রতিবেশী তৌহিদুল ইসলামের ছেলে আবির রক্ত দেয়। সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এরপর সেমন্তি ও আবিরের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আবিরের ফাঁদে পড়ে সেমন্তি।