সিঁড়িতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন মোদি অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিচারক নিয়োগ দিতে হবেবঙ্গবন্ধু হত্যা ও ষড়যন্ত্রে জিয়া জড়িত: প্রধানমন্ত্রীকেউ যদি যেতে না চায়, তাহলে পাকিস্তান যাবে না : পাপনসত্য বলার জন্য ক্ষমা চাইব না: রাহুল গান্ধী
No icon

হাথুরুকে আর কত অপমান করবে শ্রীলঙ্কা!

নেয়ার সময় কতই না সম্মান ছিল। বাংলাদেশে আকাশছোঁয়া সাফল্য দেখে স্বদেশি চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে বলতে গেলে হাতে পায়ে ধরে নিয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে বছর দেড়েক পেরোতে না পেরোতেই সেই হাথুরুর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে লঙ্কানরা। তাকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন খোদ দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্ডো। মন্ত্রীর নির্দেশের পর আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরে আর হাথুরুসিংহেকে রাখার সাহস করেনি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। অন্তবর্তীকালীন কোচ নিয়োগ দিয়ে বাংলাদেশের সাবেক কোচকে বলতে গেলে ঘরে রেখেই অপমান করেছে তারা।

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ড্রেসিংরুমে কোচের দায়িত্ব পালন করবেন দেশটির সাবেক কোচ এবং ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান নির্বাহী কর্মকর্তা জেরোমে জয়ারত্নে। এ সিরিজের পর পূর্ণ মেয়াদের কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে শ্রীলঙ্কা।

যদিও হাথুরুসিংহেকে বিদায় জানায়নি লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। তবে যেমন শর্ত দেয়া হয়েছে, তাতে আপসহীন চরিত্রের এই কোচ আর চাকরিতে টিকে থাকার চেষ্টা করবেন কি না, সন্দেহ আছে।

লঙ্কান ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন জানিয়েছেন, তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে চুক্তি করার। সেটা কোচের বেলায়ও। হাথুরুর পারফরম্যান্সে যেহেতু তারা সন্তুষ্ট নন, তাই যদি তিনি কোচ থাকতেই চান তবে নতুন করে আবেদন করতে হবে এবং সেটা অবশ্যই কম বেতনে।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া হাথুরুসিংহের সঙ্গে লঙ্কান বোর্ডের চুক্তি ছিল আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে দল সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় তাকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। হাথুরু নিজে অবশ্য বলেছিলেন, চুক্তি শেষ হওয়ার আগে কোনোমতেই দায়িত্ব ছাড়বেন না। তবে একপ্রকার বাধ্যই করা হলো তাকে।

লঙ্কান ক্রীড়ামন্ত্রী জানালেন, হাথুরুর বেতন এখন মাসে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। নতুন করে কোচের পদে চাইলে আবেদন করতে পারেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘যদি তিনি কোচ থাকতে চান, তবে আবারও আবেদন করতে পারেন। তবে সেটা বেতন নিয়ে আলোচনা করেই। যদি সেটা না করে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে চান, তা-ও নিতে পারেন।’

এর আগেও একবার ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের কোচ ছিলেন হাথুরুসিংহে। তবে সেবার বলতে গেলে ছিলেন ‘ছায়া কোচ’ হয়ে, অর্থাৎ বোর্ড প্রশাসনের কঠোরতায় প্রভাব প্রতিপত্তি সেভাবে দেখাতে পারেননি। এবার তাকে পূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হবে বলেই বাংলাদেশ থেকে নিয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু বছর ঘুরতেই সব পাল্টে গেল।