দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে অপরাধ কমবে: তোফায়েলনুসরাত হত্যা: আ'লীগ নেতা রুহুল ৫ দিনের রিমান্ডেসাজা শেষ, তবুও কারাগারে বিদেশি বন্দিরা!খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি-শপথ শুধুই গুঞ্জন: মির্জা ফখরুলসিন্ডিকেটের কবলে রোজার চার পণ্য
No icon

‘রোহিঙ্গাদের আর ভেতরে ঢোকাবেন না’

সীমান্ত পার হয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেশের আরও ভেতরে না ঢোকানোর দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্যরা। এছাড়া তাদের নতুন করে দেশে প্রবেশ করতে না দেয়ার জোরাল দাবি জানানো হয়েছে। তারা বলেন, দয়া করে রোহিঙ্গাদের ভাসানচর বা অন্য কোথাও নিবেন না। এতে মিয়ানমার বলবে, তারা তাদের নাগরিকদের স্থায়ী জায়গা দেয়া শুরু করেছে। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ কথা বলেন তারা। এ সময় সংসদের সভাপতিত্বে ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। রোহিঙ্গাদের নতুন করে দেশে প্রবেশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জাসদের (আম্বিয়া) সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের মাটিতে সেফ জোনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তাকে স্বাগত জানাই। এটাই রোহিঙ্গা সমস্যার ইতিবাচক সমাধান। তবে তিনি এটিকে নতুন প্রস্তাব হিসেবে অভিহিত করেছেন, এটা ঠিক নয়। দশম সংসদে এ প্রস্তাব আমি নিজেই সংসদে দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ফোকাস হওয়া উচিত তাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ইস্যুতে ভারত ও চীনের সহায়তা চেয়েছেন। আমার প্রস্তাব হলো এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকেও যুক্ত করতে হবে।

জাসদের এ নেতা বলেন, মিয়ানমার সরকার সম্প্রতি রোহিঙ্গাল্যান্ডের কথা বলেছেন। সেটি কোথায় তা বলা মুশকিল। কিন্তু আমাদের ফোকাস হওয়া উচিত আকিয়াব। এই এলাকায় সেফ জোন হবে।

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে মিয়ানমার সরকার বিশ্বে আনট্রাস্টেড গর্ভনমেন্ট। সকালে এক কথা বললে, বিকেলে আরেক কথা বলে। তারা সারাবিশ্বে খোঁচাখুঁচিতে পারদর্শী। এজন্য গত ৫০ বছর ধরে তাদের বিভিন্ন স্টেটে সমস্যা লেগেই আছে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী বলেন, যেহেতু আমাদের পার্লামেন্ট ২৬৬ বিধি অনুসারে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করার বিধান রয়েছে, সেখানে একটি কমিটি গঠন করা সম্ভব। এই কমিটি রোহিঙ্গাদের নিয়ে পরিকল্পনার করে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে পারে। এর মধ্যে ভাসানচর পরিদর্শন, প্রয়োজনে মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারকে সহায়তা দেবে। আমার প্রস্তাব বিশেষ কমিটি করা হোক।

তিনি জানান, উল্লিখিত বিধি অনুযায়ী সর্বনিন্ম ১৫ ও সর্বোচ্চ ২৩ সদস্যের সংদীয় কমিটি হয়ে থাকে। এ কমিটি গঠন একটি গঠনমূলক কাজ হবে বলে আমার মনে হয়। এ জন্য আমরা একটি নোটিশ দিতে পারি।

রুস্তম আলী ফরাজীর এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওই সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালনকারী ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া বক্তার উদ্দেশ্যে বলেন, এটা খুব ভালো প্রস্তাব। আপনি চাইলেই একটি নোটিশ দিতে পারেন, এটা আমরা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।

স্পিকার বলেন, এতক্ষণ এ বিষয়ে আপনারা যা বললেন তা আসলে কাজের কাজ কিছুই হবে না। তাই যদি একটি নোটিশ দেন তাহলে সেটি ভালো একটি উদ্যোগ হবে।