বর্জ্য অপসারণে কতটা প্রস্তুত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন?ঈদের খুশি নেই, ছেলের কবরের পাশে বসে কাঁদছেন রিফাতের মানিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত শোলাকিয়াকোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতে ২৫% খরচ বহন করবে ডিএনসিসিঈদের সকালে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
No icon

যে কারণে শিশু খেতে চায় না

অনেক মা-বাবার মুখে শোনা যায় শিশু খেতে চায় না। খাবার খাওয়ার কথা বললে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। আবার অল্প খেয়ে বলে পেট ভরে গেছে। আবার অনেক সময় দেখা যায় কান্নাও করে। তবে শিশুরা কেন খেতে চায় না এসব বিষয় অবশ্যই জানা জরুরি। বেশিরভাগ শিশুরাই খেতে চায় না। না খাওয়া জন্য তাদের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে। কারণ ঠিকমত না খেলে শিশুর যেমন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি হয় না। আবার শিশুরা কিন্তু অসুস্থও থাকে। তাই শিশুকে সুস্থ রাখতে হলে তার খাবারের প্রতি বাবা-মায়ের যত্নশীল হতে হবে।

তবে শিশুরা যে খেতে চায় না। কী হতে পারে এই না খাওয়ার কারণগুলো।

১.শিশুকে প্রয়োজন বুঝে খাওয়াতে হবে।খেতে না চাইলে পীড়াপিড়ি করা যাবে না।

২ শিশুদের ক্ষেত্রে সাত মাস থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত একটি ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়।তাই এ সময় তাকে কোনো বিষয়ে জোর করলে সে তা পছন্দ করে না।

৩. যে খাবার শিশু পছন্দ করে না তা খাওয়ালে শিশু খেতে চায় না।

৪. শিশুর খাবার খাওয়াতে হবে তার চাহিদা অনুসারে।

৫. ক্ষুধা না লাগলে খাবার খেতে দেবেন না।

কী করবেন?

১. শিশুর পছন্দসই খাবার রান্না করুন।

২. শিশু খেতে চাইছে না বা খাচ্ছে না—এ অজুহাতে তাকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় খাবার দেবেন না। শিশু একেবারেই খেতে না চাইলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

৩. বাচ্চাদের প্রতিবেলা খাবারের মাঝে বিরতি থাকা উচিত। বিরতির এই সময়ে যদি অন্য কোনো খাবার সে না খায়, তবে যথাসময়ে তার ক্ষুধা লাগার কথা।

৪ শিশুকে কখনো জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। তাকে একবার জোর করে খাওয়ালে পরে যখনই তাকে খাওয়াতে চাইবেন, তখনই সে ভয় পাবে।

৫. প্রতিদিন এক ধরনের খাবার না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনুন। যদি তার মনের ভাব সে প্রকাশ করতে পারে, তবে সে যা খেতে চায় তা জেনে নিন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু বিশেষজ্ঞ ও সহযোগী অধ্যাপক।