রিফাত হত্যা মামলায় রায় আজ, আদালতপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদারকরোনার টিকা সংগ্রহে ৩০ লাখ ডলার দিচ্ছে এডিবিচলন্ত বাস থেকে ফেলে হত্যা, চোখের জলে বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাইলেন স্ত্রীশিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নির্ধারণ চেয়ে আইনি নোটিশশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত শিগগিরই
No icon

আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইবাদত সবচেয়ে বড় শোকর

ফেরআউনের কবল থেকে মুছা আ. ও তার জাতির মুক্তি ছিল আল্লাহ তাআলার এক বড় নেয়ামত। এ মুক্তির পর তিনি সওম পালন করে আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করার প্রয়াস পেয়েছেন। কেননা নেক আমল হল আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায়ের বড় মাধ্যম। যেমন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেনঃ হে দউদ পরিবার! শুকরিয়া হিসেবে তোমরা নেক আমল করতে থাক। আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পই শুকরিয়া আদায়কারী রয়েছে।সূরা সাবা: ১৩

শুকরিয়া আদায়ের অর্থ হল যে অনুগ্রহ করেছে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
পাঁচটি বিষয়ের উপর আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত। সে গুলো হলঃ

এক.নেয়ামত দাতা আল্লাহর প্রতি বিনয়বনত হওয়া।

দুই. নেয়ামত দাতা আল্লাহকে মহব্বত করা।

তিন.নেয়ামতকে মনে প্রাণে গ্রহণ ও স্বীকার করা।

চার. মুখ দ্বারা নেয়ামত দাতা আল্লাহর প্রশংসা করা।

পাঁচ. নেয়ামতকে নেয়ামত দানকারী আল্লাহর অসন্তুষ্টিতে ব্যবহার না করা বরং তাঁর সন্তুষ্টির পথে তা ব্যয় করা।

(মাদারেজুস সালেকীন) এর যে কোন একটি পাওয়া না গেলে আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় হবে না। একটি বিষয় সতর্ক করা জরুরী মনে করছি। তা হলঃ ইবাদত সম্পূর্ন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যের উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তা অনুসরণ করা ও যা থেকে নিষেধ করেছেন তা বর্জন করাই হল ইবাদতের মূলকথা। তাই নতুন কোন ইবাদতের পদ্ধতি প্রচলন করার কোন অবকাশ নেই কোন ভাবেই। যদি কেহ করে তা বিদআত বলে গণ্য হবে। তাই আশুরার সাথে এমন কোন ইবাদত খাছ করা জায়েয নেই যা আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাছ করেননি। আম্বিয়া আলাইহিমুসসালাম ইবাদতের যে সকল পদ্ধতি চালু করে গেছেন তার উপর কায়েম থাকা, সেগুলোকে ধর্মের জন্য যথেষ্ট মনে করা, তা যথাযথভাবে অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করা হল বাস্তবিক পক্ষে শুকরিয়া আদায় করা। এ ছাড়া ধর্মে নতুন কোন পদ্ধতি চালু করা বিদআত। যা প্রত্যাখ্যান করা একান্ত কর্তব্য। নবী-রাসূলদের মহব্বতে তা তাদের সম্মানার্থে এমন কিছু করা যাবে না যা তাদের দ্বারা অনুমোদিত নয়। তাদের সম্মান ও মহব্বতে নিজেদের পক্ষে কোন পদ্ধতি উদ্ভাবন যদি জায়েয হত তাহলে খৃষ্টানরা যে ইছা আ. কে মহব্বত করে আল্লাহর পুত্র বলে থাকে, তা শিরক হতো না। আল্লাহর এক নবীকে নিজেদের মনগড়া বিদআতী পদ্ধতিতে সম্মান ও মহব্বত করতে যেয়ে তারা কাফের ও মুশরিকদের খাতায় নিজেদের নাম লিখিয়েছে। মূল কথা হল : ইবাদত ; আনুগত্য ও অনুসরণের নাম। দ্বীনের মধ্যে ইবাদত হিসেবে নতুন কোন পদ্ধতির প্রবর্তন কখনো ইবাদত বা নেক আমল বলে গণ্য হবে না। হয়ত তা কূফর নয়তো শিরক না হয় বিদআত বলে প্রত্যাখ্যাত হবে।