‘সাধারণ সম্পাদক’ নিয়ে যত আগ্রহসেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের ৪ কর্মকর্তার ওপর ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞাযুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে পুলিশসহ নিহত ৬জাবি ভিসির বিরুদ্ধে ২২৪ পৃষ্ঠার ‘দুর্নীতির খতিয়ান’ প্রকাশজানুয়ারি শেষে দুই সিটিতে ভোটের পরিকল্পনা
No icon

কাশ্মীরে সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে পারছেন না

অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সরকারের আরোপিত যোগাযোগ অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এতে সরেজমিন থেকে প্রতিবেদন লিখেতে পারছেন না সাংবাদিকরা। ডন অনলাইন ও আল-জাজিজার খবরে এমন তথ্য জানা গেছে। মুসলমান অধ্যুষিত রাজ্যটিতে প্রতিবেদকদের হাতে বহনকরার মতো কোনো কিছু রাখতে দেয়া হচ্ছে না। দ্য কমিটি ফর প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের(সিপিজে) এক প্রতিবেদন বলছে, চলাচলের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ছবি তোলা ও ভিডিও গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে দেয়া হচ্ছে তাদের ওপর। স্থানীয় এক বার্তা সম্পাদক বলেন, তল্লাশি চৌকিতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বলছেন-আপনারা সংবাদমাধ্যম থেকে এসেছেন, আপনাদের অনুমতি দেয়া হবে না।

সিপিজের খবর বলছে, গত চার আগস্ট যোগাযোগ অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পর একটি বার্তা পাঠানোর অ্যাপসের মাধ্যমে এই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছে পেরেছে তারা।

ওই বার্তা সম্পাদক বলেন, আমার আশঙ্কা, তারা সাংবাদিকদের আটক করবে। বিশেষ করে এখানে যা ঘটছে, যারা সেই সংবাদ সংগ্রহ করবে, তারা হুমকিতে রয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে কাশ্মীরে যোগাযোগ অচলাবস্থা ও সাংবাদিকদের আটক নিয়ে সতর্কতা ব্যক্ত করেছে সিপিজে।

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কাশ্মীরের প্রধানশহর শ্রীনগরভিত্তিক অধিকাংশ ইংরেজি ও উর্দু ভাষার সংবাদপত্র সোমবার থেকে তাদের সংস্করণ প্রকাশ করতে পারেনি।

উপত্যকাটির বিশেষ সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে সেখানে যোগাযোগ অচলাবস্থা জারি করে ভারত সরকার।

মতিন নামের এক প্রতিবেদক বলেন, ঐতিহাসিক ঘড়ি টাওয়ারের একটি ভিডিও নিতে শ্রীনগরের মূল শহর থেকে লাল চোকে হেঁটে গেলাম। কিন্তু কনসারটিনা তার দিয়ে সেনাবাহিনী সেটি ঘিরে রাখে। আমি কিছু ভিডিও ও ফটো নিতে চাইলে সেনাবাহিনী তা বন্ধ করে দেয়।

‘তখন সাংবাদিক বলে নিজের পরিচয় দিলাম। সেনারা জবাবে বলল, এখন এসব কিছুতে কাজ হবে না। যেখান থেকে এসেছেন, সেখানে চলে যান।’

কাশ্মীরের অনেক সাংবাদিক ও আলোকচিত্রি বিমানে আসা লোকজনদের কাছে ইউএসবি ড্রাইভের মাধ্যমে প্রতিবেদন ও ছবি কাশ্মীরের বাইরে পাঠান।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার পরামর্শক সম্পাদক ও লেখক সাগরিকা ঘোষ বলেন, পুরো রাজ্যটিতে অচলাবস্থা তৈরি করে সরকার লোকজনকে অবমাননা করেছে।