নৌকার মাঝি বাছাইয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে আ.লীগউৎসব আর শঙ্কায় বিএনপির মনোনয়ন কার্যক্রমপ্রিন্স সালমানই খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন : সিআইএকে হবেন প্রধানমন্ত্রী: উত্তরে যা বললেন ড. কামালবাংলাদেশে রাজনীতিকদের ওপর দমন-পীড়নের নিন্দা ইইউ পার্লামেন্টের
No icon

খাশোগিকে জীবিত অবস্থায় কেটে টুকরো টুকরো করা হয়!

খাসোগিকে নির্যাতন ও হত্যায় প্রধান সন্দেহভাজন একজন ফরেনসিক বা ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞ। সালাস মুহাম্মদ আল তুবাইগি নামের এ ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ অস্ট্রেলিয়ার একটি মেডিকেল ইন্সটিটিউটে কাজ করেছেন। ভিক্টোরিয়ান ইন্সটিটিউট অব ফরেনসিক মেডিসিনে তিনি ৩ মাস কাজ করেন। দ্য গার্ডিয়ান বলছে, প্রকাশিত অডিও কথোপকথনে আল তুবাইগিকে কথা বলতে শোনা গেছে। এদিকে তুর্কি সূত্রের বরাতে বলা হয়, খাশোগিকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনো আলামত দেখা যায়নি। তাকে হত্যা করতেই স্কোয়াডটি এসেছিল। স্টাডি রুমের টেবিলে শুইয়ে মাত্র ৭ মিনিটে খাসোগিকে জীবিত অবস্থায় কেটে টুকরো টুকরো করেন তুবাইগি।

ভিক্টোরিয়ান ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নোয়েল উডফোর্ড বলেন, ২০১৫ সালে তিনি আমাদের ইন্সটিটিউটে আসেন। তার আগ্রহের জায়গা ছিল সিটি স্ক্যানিং। কারণ এটা সব মর্গ ও ফরেনসিক ইন্সটিটিউটে নেই।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার মিশন পরিচালনা করেছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা। হত্যায় জড়িত ১৫ জনের একটি দল। এ দলের মধ্যে অন্তত চারজন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ। তাদের একজন মেহের আবদুল আজিজ মুত্রেব। তিনি লন্ডনের সৌদি দূতাবাসের কূটনীতিক ছিলেন। সম্ভবত তিনি যুবরাজের দেহরক্ষী। গত জুলাই মাসে যুবরাজের প্যারিস ও মাদ্রিদ সফরের সময়ও আজিজকে দেখা গেছে।

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে আরও তিনজনের সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তাজনিত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সন্দেহভাজন ঘাতকদের পঞ্চম ব্যক্তি একজন ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞ। যিনি সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন পদস্থ কর্মকর্তা।

তুরস্কের দাবি, এ পাঁচ ব্যক্তি ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগি গায়েব হয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। সন্দেহভাজন ১৫ ঘাতকের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত করার দাবি করেছে তুরস্ক। তাদের সবারই সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী, সামরিক বা সরকারি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।