উপাচার্যকে উদ্ধার করতে ছাত্রলীগ গিয়েছিল: সোহাগবিদ্যুৎ চুরির শাস্তি ৫ বছরের জেল তিন নয়, ছয় মাসের জন্য স্থগিত ডিএনসিসি নির্বাচনএবার ইরাকে বিমান হামলা চালাল তুরস্ক ভিসিকে ‘উদ্ধারে’ ছাত্রলীগের তাণ্ডব
No icon

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী লাইফ সাপোর্টে

আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। হাসপাতালে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার বড় ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে এ খবর দিয়ে বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টা ২মিনিটে ফেসবুক পেজে তিনি এই স্ট্যাটাস দেন। তবে নগরীর কোন হাসপাতালে মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ভর্তি করা হয়েছে সে ব্যাপারে কিছুই লেখেননি তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিউদ্দিন চৌধুরীকে আবারও চট্টগ্রাম মহানগরীর মেহেদীবাগ ম্যাক্স হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। জানতে চাইলে ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খান বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। প্রেশার খুব কম। যা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। এটাকে আমরা সংকটাপন্ন অবস্থা বলছি। এর আগে মহিউদ্দিন চৌধুরী সুস্থ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে ঘরে ফিরেন। ঢাকা স্কয়ার হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সড়কপথে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। স্কয়ার হাসপাতালের দু’জন চিকিৎসকও এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।

এছাড়া ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার বড় ছেলে ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।

গত ১১ নভেম্বর রাতে তিনি হার্টের সমস্যা ও কিডনিজনিত রোগে গুরুতর অসুস্থ নগরীর ম্যাক্স হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরের দিন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে এনে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ১৬ নভেম্বর অসুস্থ মহিউদ্দিনকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সেখানে এনজিওগ্রাম সম্পন্নের পর তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেন। প্রায় ১০ দিন পর গত ২৬ নভেম্বর তিনি দেশে ফিরে পুনরায় স্কয়ার হাসাপাতালে ভর্তি হন।

সিঙ্গাপুরের গ্ল্যানিগ্লেস হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শ মোতাবেক কিডনি ডায়ালাইসিস করা হয়। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে গত মঙ্গলবার নিজ জন্মস্থান চট্টগ্রাম ফিরে আসেন।