তারেক দেশে ফিরবেন বীরের বেশে: মোশাররফতসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলাবিয়ের উপহার 'বাক্সবোমা'য় বরের মৃত্যু, গ্রেফতার ১ ভারতের পক্ষে কথার বলার অধিকার তো কাদেরকে কেউ দেয়নি: ফখরুল একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে মোদি একটি শব্দও বলেননি, জানালেন কাদের
No icon

আবারও ধস চৌহালী উপজেলা রক্ষা বাঁধে

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পয়েন্টে পানি বৃদ্ধির ফলে আবারও ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন চৌহালী উপজেলা রক্ষা বাঁধে ষষ্ঠ বারের মতো ধস নেমেছে। শুক্রবার রাত দশটার সময় চৌহালীর খাস কাউলিয়া ইউনিয়নের মজিবর হাজীর বাড়ির সংলগ্ন ব্রিজ থেকে দক্ষিণ দিকে সিদ্দিকের বাড়ি পর্যন্ত বাঁধের ৭০ মিটার এলাকায় এ ধস দেখা দেয়। রাতে বাধে ধ্স নামার কারণে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজলোর সড়াতৈল থেকে দক্ষিণে নাগরপুর উপজেলার পুকুরিয়া, খগনের ঘাট, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ঘোরজানের চেকারি মোড়, আজিমুদ্দি মোড়, খাসকাউলিয়া, জোতপাড়া পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকা রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৫ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে বর্তমানে যার ৯৫ ভাগ কাজ শষে হয়ছে। এর মধ্যে বাঁধটির বিভিন্ন অংশে ৬ বার ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয় খাস কাউন্সিলা এলাকার বাসিন্দা হায়দার আলী, মোকলেছুর রহমান, জহুরুল হক মুন্সী জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণেই বার বার এই ধ্বসের ঘটনা ঘটছে। সরকার চৌহালী রক্ষায় শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও অসাধু কিছু মানুষের জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বাঁধটিতে দফায় দফায় ধস দেখা দেওয়ায় তীরর্বতী বসবাসরত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলায় বসতি গড়ছেন।

চৌহালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে হঠাৎ করেই মজিবর হাজীর বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় ধস দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৭০ মিটার এলাকা নদীর্গভে বিলীন হয়েছে। বাঁধ এলাকায় জনগণের জানমাল নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়ছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, যমুনার পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে বাঁধের তলদেশ গর্তের সৃষ্টি হয়ে এ ধস দেখা দিয়েছে। বার বার ধসের কারণে ইতোমধ্যেই বুয়েটের দুজন বিশেষজ্ঞ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ধস এলাকা পরিদর্শন করে আগামী কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।

তিনি আরও বলেন, এই এলাকার মাটির ধারণক্ষমতা কম। যে কারণে বার বার ধসের কবলে পড়ছে বাঁধ। পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে পানির তলদেশে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। ধসের এটিও একটি কারণ। তবে এতে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই।

আরো পড়ুন